
বাউফল অফিসঃ পটুয়াখালীর বাউফলে নয় বছরের কন্যা শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তি সম্পর্কে ভুক্তভোগী শিশুর চাচাতো নানা হন। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত লালু শাহ আত্মগোপনে রয়েছেন।
রোববার (১ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে উপজেলার নাজিরপুর-তাঁতেরকাঠি ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটেছে।
এদিকে, ভুক্তভোগী শিশুকে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে পটুয়াখালী মেডিকেলের ভিকটিম সাপোর্ট শেল্টারে পাঠিয়েছেন দায়িত্বরত চিকিৎসক।
ভুক্তভোগীর মায়ের দাবি, শিশু সন্তানকে নিয়ে তিনি নিজের বাবার বাড়িতে বেড়াতে যান। শেষ বিকেলে তিনি ইফতার তৈরীতে ব্যস্ত ছিলেন এবং ভুক্তভোগী শিশু বাড়ির উঠানে খেলাধুলা করছিলেন। এসমন সময় লালু শাহ ভুক্তভোগী শিশুকে বাড়ির একটি খালি ঘরে নিয়ে যায় এবং ভুক্তভোগীর পোশাক খুলে শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন। ভয় পেয়ে ভুক্তভোগী শিশু চিৎকার করলে অভিযুক্ত তার মুখ চেপে ধরেন। অভিযুক্তের হাতে কামড় দিয়ে কান্নারত অবস্থায় ঘরে ফেরে ভুক্তভোগী এবং মায়ের কাছে সবকিছু খুলে বলেন। পরে স্বজনরা ভুক্তভোগী শিশুকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে ভর্তি করেন। এ বিষয়ে তারা মামলা দায়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান তিনি।
বাউফল উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. শাহরিয়ার আল কাউয়ুম জানান, ভুক্তভোগী শিশুকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে ভুক্তভোগী শিশু হওয়ায় বিষয়টি বিস্তারিত প্রকাশের সুযোগ নেই। ঘটনাটি আরও নিশ্চিত হওয়ার জন্য আমরা তাকে পটুয়াখালী মেডিকেলের ভিকটিম সাপোর্ট শেল্টারে নেওয়ার জন্য স্বজনদের পরামর্শ দিয়েছি।
এ বিষয়ে বাউফল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আতিকুল ইসলাম জানান, এখনো থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়নি। এছাড়া অভিযুক্ত ব্যক্তি পলাতক রয়েছেন। ভুক্তভোগী শিশুর চিকিৎসা শেষে মেডিকেল রিপোর্ট অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


