
স্টাফ রিপোর্টার: পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীর চাপ যখন বারান্দা ও মেঝে পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে, ঠিক তখনই সিসিইউ (করোনারি কেয়ার ইউনিট) ইউনিটের জন্য নির্মিত ভবনকে ছাত্রী হোস্টেল হিসেবে ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়ায় ক্ষোভে ফুঁসছে স্থানীয়রা। তাদের দাবি, হৃদরোগীদের জীবনরক্ষায় দ্রুত সিসিইউ ইউনিট চালু করা হোক।
পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ প্রতিদিনই বাড়ছে রোগীর চাপ। শয্যা সংকটে অনেক রোগীকেই থাকতে হচ্ছে বারান্দা কিংবা মেঝেতে। এতে চিকিৎসা সেবার মান নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে দিন দিন।
২০১৪ সালে ২৫০ শয্যার এই হাসপাতালের অবকাঠামোর মধ্যেই শুরু হয় মেডিকেল কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম। সে সময় সিসিইউ ইউনিট চালুর জন্য নির্মিত তিনতলা ভবনটি একাডেমিক কাজে ব্যবহার করা হয়। ফলে দীর্ঘ এক দশকেও চালু করা সম্ভব হয়নি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই সিসিইউ ইউনিট।
সম্প্রতি মেডিকেল কলেজ নতুন ভবনে স্থানান্তরিত হলেও পুরোনো ভবনটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি। বরং সেটিকে ছাত্রী হোস্টেল হিসেবে ব্যবহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, প্রতিদিন গড়ে ৮ থেকে ১০ জন হৃদরোগী ভর্তি হন। কিন্তু পূর্ণাঙ্গ সিসিইউ না থাকায় মেডিসিন বিভাগের একটি অংশে মাত্র ৫টি বেড দিয়ে সীমিত আকারে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এতে অনেক রোগী প্রয়োজনীয় সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
এ বিষয়ে হাসপাতালের কার্ডিয়াক বিভাগের জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা. অনুপ কুমার হাওলাদার জানান, সিসিইউ ইউনিট চালু না থাকায় জটিল রোগীদের উন্নত চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
পৃথক ভবনে সিসিইউ ইউনিট চালু করা সম্ভব হলে হৃদরোগে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা এখানেই দেয়া সম্ভব হবে।
অন্যদিকে, ভবনটি নিজেদের প্রয়োজনে রাখতে গত ১০ মার্চ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে চিঠি দিয়েছে মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ। মেডিকেল কলেজ অধ্যক্ষ ডা. মনিরুজ্জামান জানান, ছাত্রীদের আবাসন সমস্যার কারনে পুরাতন ভবনটি ছাত্রী হোস্টেল হিসেবে ব্যবহার করতে অধিদপ্তরে আমরা চিঠি দিয়েছি অনুমতি পেলে আমরা ব্যবহার করবো৷
তবে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. দিলরুবা ইয়াসমিন লিজা বলেন, ভবনটি হাসপাতালের কাছে হস্তান্তর করা হলে দ্রুত সিসিইউ ইউনিট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এদিকে সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলতাফ হোসেন চৌধুরী তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতেও হাসপাতালের সিসিইউ ইউনিট চালুর কথা জানিয়েছিলেন।
চিকিৎসক ও সচেতন মহলের মতে, হৃদরোগের মতো জটিল রোগের চিকিৎসা নিশ্চিতে সিসিইউ ইউনিট চালু এখন সময়ের দাবি। তা না হলে প্রতিদিনই ঝুঁকিতে পড়বে সাধারণ রোগীদের জীবন।

В Москве существует множество автосервисов, специализирующихся на Тойота. Специалисты готовы осуществлять ремонт и обслуживание ваших автомобилей.
Если вам нужен качественный и надежный автосервис Тойота, мы предлагаем широкий спектр услуг для вашего автомобиля.
Работа с автомобилями этой марки требует особого подхода. Каждый механик проходит специальное обучение и сертификацию.
Техническое оснащение сервиса соответствует самым высоким стандартам. Благодаря этому, мы можем гарантировать качество выполняемых работ.
Обращаясь в автосервис Тойота, вы можете рассчитывать на высокое качество услуг. Ваше доверие для нас — наивысшая награда.