
বাউফল অফিসঃ পটুয়াখালীর বাউফলের নাজিরপুর ইউনিয়নের ওয়ার্ড পর্যায়ের জামায়াতে ইসলামীর নেতা মোহাম্মদ শুভ’র বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ তোলেন ভুক্তভোগী নারী ও তার স্বামী আব্বাস মুন্সি।
শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি ভুক্তভোগী ও সাথে থাকা স্বজনরা গণমাধ্যমে মোহাম্মদ শুভর বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ করেন। রাতেই বাউফল থানায় তারা এ সংক্রান্ত অভিযোগও দাখিল করেন। পরে এ বিষয়ে কয়েকটি গণমাধ্যম সংবাদও প্রকাশ করে।
এদিকে, রবিবার (১৪ডিসেম্বর) দুপুরে ভুক্তভোগীর স্বামী আক্কাস মুন্সি বাউফল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অসত্য বলে দাবি করেন। অভিযোগ করেন, অসত্য ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। তবে, এসময় তিনি সাংবাদিকদের কোনো প্রশ্নের জবাব দিতে রাজি হননি।
লিখিত বক্তব্যে আক্কাস মুন্সি জানান, জামায়াত ইসলামীকে নিয়ে যেভাবে সংবাদ প্রচার হয়েছে সেটি অসত্য। মূলত জমাজমি সংক্রান্ত পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে সামান্য ঝামেলা হয়েছিলো। প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে নাজিপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মোহাম্মদ রাসেল ও জামায়াতের যুব বিভাগের ৯ নং ওয়ার্ড সদস্য অভিযুক্ত শুভ উপস্থিত ছিলেন।
প্রথমে শনিবার আক্কাস মুন্সি গণমাধ্যমকে বলেছিল, শুভ নাজিরপুরের ৯ নং ওয়ার্ড জামায়াতের আমীর এবং বিরোধ পূর্ণ যায়গায় ঘাট নির্মাণ করছিলেন। তার স্ত্রী বাধা দেয়ায় তাকে মারধর করে, এসময় তার শ্লীলতাহানি হয়। বাঁচার জন্য পুকুরে ঝাপ দিলে পানিতে নেমে তাকে আঘাত করে শুভ। রাজনৈতিক প্রভাব থাকায় বাড়ির কেউ তার স্ত্রীকে রক্ষা করেনি।
জামায়াতে ইসলামীর নেতারা বলছেন, শুভ জামায়াতের আমীর নয়। সাংবাদিকরা বিষয়টি নিশ্চিত না হয়েই অপপ্রচার করে। তাই তারা প্রকাশিত সংবাদের বিষয় নিন্দা জানান।
এ বিষয়ে বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান থানায় ভুক্তভোগীর অভিযোগ দাখিলের বিষয়টি নিশ্চিত করে মুঠোফোনে বলেন, অভিযোগের তদন্ত চলছে। তদন্ত করে পুলিশ ঘটনা যেমন সত্যতা পাবেন, তেমনই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। দুই ধরনের বক্তব্য পাওয়ায় গুরুত্ব সহকারে অভিযোগের তদন্ত চলছে বলেও জানান তিনি।


