
মো. বেল্লাল হোসেন, দশমিনা থেকে:
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙন কবলিত হাজির হাটসহ আশপাশের এলাকা পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদ হাসান মৃধা।
সোমবার দুপুর ১২টার দিকে তিনি ভাঙনকবলিত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
জানা যায়, উপজেলার তেঁতুলিয়া নদীর তীরবর্তী হাজির হাট, ঢনঢনিয়া, কেদির হাট, গোলখালী ও কাটাখালী এলাকাগুলো দীর্ঘদিন ধরে ভাঙনের মুখে রয়েছে। গত ২-৩ বছরে প্রায় দুই থেকে আড়াই কিলোমিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এতে হাজার একর কৃষিজমি ও শতাধিক বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
২০২২ সালে তৎকালীন সংসদ সদস্যের বরাদ্দে জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধের চেষ্টা করা হলেও তা স্থায়ী হয়নি এবং সেগুলোও নদীতে বিলীন হয়ে যায়। বর্তমানে হাজির হাট লঞ্চঘাট, একটি মসজিদ ও স্থানীয় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ভাঙনের তীব্র ঝুঁকিতে রয়েছে।
এদিকে, গত এক সপ্তাহ আগে এলাকাবাসী ভাঙনরোধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে মানববন্ধন করেন।
পরিদর্শন শেষে ইউএনও মাহমুদ হাসান মৃধা সাংবাদিকদের বলেন, “দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙনের বিষয়টি বিভিন্ন মহল থেকে জেনেছি। আজ সরেজমিনে এসে দেখলাম হাজির হাট লঞ্চঘাটসংলগ্ন মসজিদের একাংশ ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে এবং পুরো স্থাপনাটি ঝুঁকিতে রয়েছে। বিষয়টি জেলা প্রশাসককে অবহিত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
তিনি আশ্বাস দেন, ভাঙনরোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
