
পটুয়াখালীর বাউফলের বগা ফেরিঘাটে সেতু নির্মাণের দাবিতে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মু. ফাওজুল কবির খানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাউফল উন্নয়ন ফোরাম ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়েত ইসলামীর সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।
আজ ২৯ এপ্রিল (মঙ্গলবার) রেল মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার কার্যালয়ে দুপুর তিনটায় এক সৌজন্য সাক্ষাতের আয়োজন করা হয়।
সাক্ষাৎ শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, আজকে উপদেষ্টা মহোদয় আমাদেরকে জানিয়েছেন- সাম্প্রতিক সময়ে চীনা সরকারের প্রতিনিধি দল স্থানীয়ভাবে ফিজিবিলিটি স্টাডি সম্পন্ন করেছেন এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর ডিপিপি প্রণয়ন কাজ করছেন এবং সরকারের পক্ষ থেকে এটি শুরু করা হয়েছে। ইতিমধ্যে জমি অধিগ্রহণের জন্য বরিশালের সংশ্লিষ্ট দফতরকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আমাদের অবহিত করেছেন। নবম চীন-মৈত্রী সেতু হিসেবে বগা সেতুর কাজ করবে চীন। সেজন্য চীন সরকারকেও আমরা ধন্যবাদ জানাই।’
তিনি আরও বলেন, আমাদের আজকের মূল এজেন্ডা ছিল পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলার বগা সেতু বাস্তবায়নের জন্য আমরা আজ এখানে এসেছি। চারটি উপজেলার প্রায় ১৫ লাখ মানুষের চলাচলের একমাত্র মাধ্যম এই সেতু। ঢাকাসহ জাতীয় সড়কের সাথে বাউফলসহ অন্য উপজেলার মানুষের যাতায়াতে ফেরিতে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। প্রতিদিন হাজারো যানবাহন ও হাজারো যাত্রীর ভোগান্তির একমাত্র কারণ এই বগা ফেরি। শুধু এই ফেরির কারণে চিকিৎসা ব্যাহত হয়ে মৃত্যুর অনেক ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্য সহজে বাজারজাত করতে পারেন না। ফলে ন্যয্যমূল্য থেকে তারা বঞ্চিত হচ্ছেন। শিক্ষার্থীরা-চাকরিজীবীরা নির্দিষ্ট সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে ব্যর্থ হন। যার ফলে শিক্ষা ও সরকারি কার্যক্রম ব্যাহত হয়। এমনকি ব্যাংকিং সেক্টরেও অনিরাপত্তায় ভোগে।
ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, সেতু বাস্তবায়ন হলে আমরা যেসব সুবিধা পাবো তা উপদেষ্টা মহোদয়কে অবহিত করেছি। তারমধ্যে জাতীয় সড়কের সাথে চার উপজেলা সরাসরি যুক্ত হবে, ব্যবসা বাণিজ্যে নতুন গতি আসবে, শিক্ষা সহজিকীকরণ হবে, পর্যটন শিল্প অগ্রগতি পাবে। আমরা দক্ষিণাঞ্চলের প্রবৃদ্ধির ধারা আরো ত্বরান্বিত করতে এবং দক্ষিণাঞ্চলের মানুষদের দুর্ভোগ লাঘবে বগা সেতু বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট দফতরে আমাদের আবেদন কপি জমা দিয়েছি। আশা করবো শিঘ্রই একটা ভালো ফলাফল অপেক্ষা করছে আমাদের জন্য। ইনশাল্লাহ।


