
কুয়াকাটা প্রতিনিধিঃ
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় ৪ হাজার অসহায় ও নিম্নআয়ের পরিবারের মাঝে শাড়ি বিতরণ করা হয়েছে। কুয়াকাটা পৌর যুবদলের সভাপতি সৈয়দ মো. ফারুকের উদ্যোগে এ মানবিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়।
বুধবার (১৮ মার্চ) সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া এ কার্যক্রমে কুয়াকাটা পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে অটোভ্যানের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি গিয়ে শাড়ি পৌঁছে দেওয়া হয়। এতে উপকারভোগী নারীদের লাইনে দাঁড়িয়ে ভোগান্তি পোহাতে হয়নি; বরং তাদের দোরগোড়ায় পৌঁছে যায় ঈদের উপহার।
স্থানীয়রা জানান, উপকূলীয় অঞ্চলে জেলে ও দিনমজুরদের অনিশ্চিত আয়ের কারণে ঈদে নতুন পোশাক কেনা অনেক পরিবারের জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। এমন বাস্তবতায় এ উদ্যোগ অসংখ্য পরিবারের মুখে হাসি ফুটিয়েছে।
উপকারভোগীদের অনেকেই বলেন, ঈদের আগে এমন উপহার পেয়ে তারা আনন্দিত। এতে তাদের ঈদ উদযাপন আরও আনন্দময় হবে।
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে নির্ধারিত সংখ্যক পরিবারের মধ্যে সুশৃঙ্খলভাবে শাড়ি বিতরণ করা হয়েছে। পুরো কার্যক্রমে যুবদলের নেতাকর্মীরা সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিতরণ করায় কোথাও কোনো ভিড় বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়নি।
এ বিষয়ে উদ্যোগের উদ্যোক্তা সৈয়দ মো. ফারুক বলেন, ঈদ মানেই আনন্দ, আর সেই আনন্দ যেন সমাজের সব শ্রেণির মানুষ সমানভাবে উপভোগ করতে পারে, সেটাই আমাদের লক্ষ্য। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। সামর্থ্য অনুযায়ী আমরা মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করেছি। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
শাড়ি বিতরণ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ জসিম উদ্দিন বাবুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন ঘরামী, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুর রহমান সোহেল, দপ্তর সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক, পৌর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মিরন, শ্রমিক দল সভাপতি মানিক ফকির, পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক জুবায়ের আহমেদ রিয়াজসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনগুলোর এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং সামাজিক সম্প্রীতি বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার এই পদ্ধতি অন্যদের জন্য অনুকরণীয় হতে পারে।

Start earning passive income—become our affiliate partner!