
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, জমি দখল ও নির্যাতনের অভিযোগ তুলে রাস্তায় নেমেছেন স্থানীয়রা।
মঙ্গলবার ২৪ ফেব্রুয়ারি ১১ দিকে খেয়াঘাট এলাকায় শুরু হওয়া কর্মসূচিতে তিন শতাধিক মানুষ অংশ নেন। সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন ভুক্তভোগী নারী-পুরুষরা। প্রায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে বক্তারা তাদের ওপর চলমান হয়রানি, ভয়ভীতি ও নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরেন
চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি মো. রুহুল রাঢ়ী (৪২) ও তাঁর বাহিনীর অত্যাচারে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, স্থানীয় কৃষকেরা নিজেদের জমিতে চাষাবাদ করতে পারছেন না। জোরপূর্বক জমি তরমুজ চাষিদের কাছে বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। কেউ প্রতিবাদ করলে মারধর, ভয়ভীতি ও মিথ্যা মামলার হুমকি দেওয়া হয়। এছাড়া অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগও তোলেন তারা। এতে নদীভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে ইউনিয়নের হাজারো মানুষ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির এক শীর্ষ নেতা বলেন, রুহুল রাঢ়ীর কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ হয়ে চন্দ্রদ্বীপের সাধারণ মানুষ দল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে এবং এজন্য এই নির্বাচনে সাধারণ মানুষ বিএনপিকে ভোট দেয়নি জামায়েত কে দিয়েছে।
তবে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা মো. রুহুল রাঢ়ী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর যারা নির্যাতন চালিয়েছিল, তারাই এখন ষড়যন্ত্র করছে বলে দাবি করেন।
এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
