
পটুয়াখালীর মহিপুরে ট্রলারের মাঝি শহিদুল ইসলাম হত্যা মামলার দীর্ঘদিনের পলাতক প্রধান অভিযুক্ত মো. সোহেল ফকিরকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্প। বুধবার (৪ ডিসেম্বর) গভীর রাতে মহিপুর থানাধীন পশ্চিম সাজুরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। কোম্পানি অধিনায়ক স্কোয়াড্রন লিডার রাশেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
র্যাব জানায়, গোপন খবরের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে হত্যা মামলার মূল আসামি মো. সোহেল ফকির (৩৪)–কে গ্রেফতার করা হয়। তিনি সাজুরা এলাকার মৃত আমজেদ আলী ফকিরের ছেলে। গ্রেফতারকৃত সোহেলের বিরুদ্ধে হত্যাসহ মাদক সম্পর্কিত আরও একাধিক মামলা রয়েছে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, নিহত শহিদুল ইসলাম পেশায় ট্রলারের মাঝি ছিলেন। একই ট্রলারের জেলে ইব্রাহিমের নিকট ২ হাজার ৪০০ টাকা পাওনাকে কেন্দ্র করে বিবাদীরা শহিদুলের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। শহিদুল বিষয়টি স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের জানালে বিবাদীরা আরও ক্ষিপ্ত হয়।
গত ২৬ জুন শহিদুল তার বাড়ির সামনে কাজ করার সময় অভিযুক্ত সোহেল ফকির লোহার রড দিয়ে মাথায় আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন। এ সময় অন্য আসামিরাও তাকে এলোপাতাড়িভাবে মারধর করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কুয়াকাটা তুলাতলী ২০ শয্যা হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের ছোট ভাই রাসেল হাওলাদার পরে মহিপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
র্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত সোহেল দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। তাকে আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে মহিপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।


