
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন জমিতে লাগানো প্রায় দুই শতাধিক গাছ রাতের আঁধারে কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকালে কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় অবস্থিত একটি প্রতিষ্ঠানের জমিতে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, পর্যটন উন্নয়ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ওই জমিতে পাম, বাবলা ও বার্মিজ সুপারি গাছের একটি বাগান তৈরি করা হয়েছিল।
প্রতিষ্ঠানটির জেনারেল ম্যানেজার জয়নুল আবেদীন জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে তারা দেখতে পান প্রতিষ্ঠানের জমিতে লাগানো পাম, বাবলা ও বার্মিজ সুপারি গাছসহ প্রায় ২০০টি গাছ কেটে ফেলে রাখা হয়েছে। এতে প্রতিষ্ঠানটির প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ধারণা করা হচ্ছে বুধবার (১১ মার্চ) গভীর রাতে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা বাগানে ঢুকে গাছগুলো কেটে ফেলে। ঘটনার পর বিষয়টি আইনগতভাবে নথিভুক্ত করতে মহিপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।
উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের সভাপতি কে এম বাচ্চু বলেন, কুয়াকাটার মতো উপকূলীয় এলাকায় এভাবে গাছ কেটে ফেলা পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। উপকূলের জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ রক্ষায় গাছ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট জহিরুল ইসলাম বলেন, পর্যটন এলাকায় এ ধরনের ঘটনা বিনিয়োগকারীদের নিরুৎসাহিত করতে পারে। পর্যটন শিল্পের স্বার্থে প্রশাসনকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহব্বত হোসেন জানান, এ ঘটনায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে।


