শনিবার (২৪ জানুয়ারি) পটুয়াখালী শহরের নিজ বাসভবন সুরিয়া ভবনে আয়োজিত এই মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দায়িত্বে থাকা নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আলতাফ হোসেন চৌধুরী আরও বলেন,'ভোটের মাঠে কী হবে না হবে, আগের দিনে নমিনেশন পেতাম, নমিনেশন ডিক্লেয়ার হতো, স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সাথে কথা বলতাম, আপনাদের সাথে কথা বলতাম এবং ইলেকশন হয়ে যেত। আর এখন অনেক টেকনিক্যাল হয়ে গেছে। অনেক কৌশল আমাদের অবলম্বন করতে হবে।”
তিনি বলেন,“এজন্য আপনারা দেখেছেন ছোট ছোট টিম করেছি। এই টিম বারবার ঢাকা যাচ্ছে, ট্রেনিং করতেছে। আবার ঢাকার কেন্দ্র থেকে নেতারা আসতেছে এখানে ট্রেনিং দেওয়ার জন্য। জাতীয় ইলেকশনে যারা ভোট দেয় তারাও জানে এবং যারা ম্যানেজ করতেছে তারাও জানে তাদের কর্মকাণ্ড কী।”
বিএনপির প্রার্থী নির্বাচনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন,
“একসময় বিএনপির ৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়া চ্যালেঞ্জ হয়ে যেত। আর এখন যে পরিমাণ আমরা ট্রেনিং পেয়েছি এবং যে সফল কাছফিলে রয়েছি, তাতে দুই হাজারেরও বেশি প্রার্থী আছে যারা জেনুইনলি ইলেকশন করার যোগ্য।”
বিদ্রোহী প্রার্থী প্রসঙ্গে আলতাফ হোসেন চৌধুরী বলেন,
“আমাদের দেশে এবারও অনেক বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছে। আমি সেই বিষয়ে বলব যে সকল আসনে বিএনপি মনোনয়ন দিয়েছে, সে পাওয়ারফুল ম্যান নয় হতে পারে, কিন্তু সে দলের নমিনেশন পেয়েছে।”
“বিএনপির ভোটাররা তাকে সাপোর্ট করবে। তার নিজস্ব যে ভোট ব্যাংক, সেটা তাকে সাপোর্ট করবে না যেহেতু সে নমিনেশন পেয়েছে। ফ্লোটিং ভোটাররাও তাকে সাপোর্ট করবে। কাজেই এটা একটা প্ল্যান।”
উল্লেখ্য, পটুয়াখালী–১ আসনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলতাফ হোসেন চৌধুরীর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখা হচ্ছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোট মনোনীত এবি পার্টির মোহাম্মদ আব্দুল ওহাব মিনাকে। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. ফিরোজ আলম, জাসদের গৌতম চন্দ্র শীল ও জাতীয় পার্টির আ. মন্নান হাওলাদারও প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন।