
গলাচিপা প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর গলাচিপা পৌর শহরে উচ্ছেদ অভিযানের সময় অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন যুব অধিকার পরিষদ নেতা মুহিবুল্লাহ এনিম। তার হস্তক্ষেপে সাময়িকভাবে উচ্ছেদ কার্যক্রম স্থগিত করেছে উপজেলা প্রশাসন।
মঙ্গলবার গলাচিপা পৌর শহরের ২নং ওয়ার্ডে সরকারি জমিতে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসান-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে বেশ কয়েকটি বসতঘর উচ্ছেদের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
এ সময় সেখানে উপস্থিত হয়ে পটুয়াখালী জেলা যুব অধিকার পরিষদের সহ-সভাপতি ও প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর-এর উপজেলা প্রতিনিধি মুহিবুল্লাহ এনিম ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারগুলোর পক্ষে কথা বলেন। তিনি প্রশাসনের কাছে সময় চেয়ে বলেন, হঠাৎ উচ্ছেদে নারী ও শিশুদের নিয়ে পরিবারগুলো মানবেতর অবস্থায় পড়বে, তাই মালামাল সরানোর জন্য অন্তত একটি যৌক্তিক সময় দেওয়া প্রয়োজন।
তার এই মানবিক আহ্বানের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাৎক্ষণিকভাবে উচ্ছেদ অভিযান স্থগিত করেন এবং নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে নিজ দায়িত্বে স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। তারা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
পরে মুহিবুল্লাহ এনিম বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের স্থায়ী সমাধানের জন্য প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত থাকবে এবং বিষয়টি প্রতিমন্ত্রীর নজরে আনা হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা এ মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।গলাচিপায় উচ্ছেদ অভিযানে অসহায়দের পাশে মুহিবুল্লাহ এনিম, মানবিক হস্তক্ষেপে মিলল সময়
মো. জহিরুল ইসলাম চয়ন, পটুয়াখালী প্রতিনিধি:
পটুয়াখালীর গলাচিপা পৌর শহরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানের সময় অসহায় পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন জেলা যুব অধিকার পরিষদের সহ-সভাপতি ও নুরুল হক নূরের উপজেলা প্রতিনিধি মুহিবুল্লাহ এনিম। তার হস্তক্ষেপে সাময়িকভাবে উচ্ছেদ কার্যক্রম স্থগিত করেছে উপজেলা প্রশাসন।
জানা গেছে, মঙ্গলবার গলাচিপা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে সরকারি জমিতে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালিত হয়। উচ্ছেদের একপর্যায়ে মুহিবুল্লাহ এনিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে অসহায় পরিবারগুলোর দুরবস্থার বিষয়টি তুলে ধরেন।
তিনি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে মানবিক বিবেচনায় কিছু সময় দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, “হঠাৎ করে ঘরবাড়ি উচ্ছেদ করলে নারী ও শিশুসহ এসব পরিবার খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপনে বাধ্য হবে। তাদের মালামাল সরিয়ে নেওয়ার জন্য অন্তত একটি যৌক্তিক সময় দেওয়া প্রয়োজন।”
এ সময় গলাচিপা উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেনও উপস্থিত ছিলেন।
পরিস্থিতি বিবেচনায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসান তাৎক্ষণিকভাবে উচ্ছেদ কার্যক্রম সাময়িক স্থগিত করেন এবং নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে ঘর মালিকদের নিজ দায়িত্বে স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন। প্রশাসনের এ সিদ্ধান্তে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে।
অভিযান শেষে মুহিবুল্লাহ এনিম বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের সমস্যার স্থায়ী সমাধানে প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত থাকবে এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন পর্যায়েও তুলে ধরা হবে।
স্থানীয়রা জানান, সময়োপযোগী এ মানবিক উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো সাময়িক স্বস্তি পেয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Share our products and watch your earnings grow—join our affiliate program!