
পটুয়াখালীতে জ্বালানি তেলের সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। তেলের খোঁজে এক পাম্প থেকে অন্য পাম্পে ছুটছেন বিভিন্ন যানবাহনের মালিকরা। বিশেষ করে পেট্রোল ও অকটেনের সংকট সবচেয়ে বেশি লক্ষ করা যাচ্ছে, যা সাধারণ ভোক্তাদের ভোগান্তি বাড়িয়ে তুলেছে।
জানা যায়, জ্বালানি তেলের অভাবে অনেক যানবাহন মালিক দীর্ঘ সময় পাম্পে অপেক্ষা করেও প্রয়োজনীয় তেল সংগ্রহ করতে পারছেন না। ফলে তাদের এক পাম্প থেকে আরেক পাম্পে ঘুরে বেড়াতে হচ্ছে। এতে সময় নষ্টের পাশাপাশি বাড়ছে দুর্ভোগ।
এদিকে তেলের এই সংকটকে পুঁজি করে কিছু খুচরা বিক্রেতা বেশি দামে তেল বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পাম্প থেকে সংগ্রহ করা তেল অতিরিক্ত মূল্যে ভোক্তাদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে।
অপরদিকে, কিছু বিক্রেতার কাছে তেলের মজুত থাকলেও তারা দোকান বন্ধ করে রেখেছেন বলে জানা গেছে। এতে করে বাজারে কৃত্রিম সংকট আরও তীব্র হয়ে উঠছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে।
মঙ্গলবার দুপুরে পটুয়াখালী চৌরাস্তা এলাকার তেলের দোকান ‘মৃধা ট্রেডার্স’ বন্ধ পাওয়া যায়। তবে দোকানের ভেতরে থাকা মালিক কালাম মৃধা জানান, সোমবার তিনি তিন হাজার লিটার অকটেন পেয়েছেন। বর্তমানে তার কাছে প্রায় এক হাজার লিটার অকটেন অবশিষ্ট থাকলেও তিনি দোকান বন্ধ রেখেছেন। এদিকে তার কাছে ডিজেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে বলেও তিনি স্বীকার করেন।
তবে তেলের এই নৈরাজ্য বন্ধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো তদারকি চোখে পড়েনি বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক করা এবং বাজার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।


